এশিয়ান ফুটবলে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে লড়াই করতে নেমে শেষ মুহূর্তে বড় ধাক্কা খেল বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। North Korea–এর বিপক্ষে ম্যাচের প্রথমার্ধের শেষদিকে মাত্র দুই মিনিটের ব্যবধানে দুটি গোল হজম করে কঠিন পরিস্থিতিতে পড়ে যায় Bangladesh।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে উত্তর কোরিয়া। প্রথম পাঁচ মিনিটের মধ্যেই তারা বাংলাদেশের রক্ষণভাগে একাধিক আক্রমণ চালায়। তবে তখন দারুণ দৃঢ়তা দেখান বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিলি।
৬ মিনিটে উত্তর কোরিয়ার ফরোয়ার্ড হান জিন হং একা গোলের সামনে চলে এলেও অসাধারণ সেভ করে দলকে রক্ষা করেন মিলি। ১১ মিনিটেও আবার তার শট ঠেকিয়ে দেন এই গোলরক্ষক।
১৪ মিনিটে কিম কিয়ং–ইয়ং বল জালে জড়ালেও ভিএআর প্রযুক্তি ব্যবহার করে রেফারি হ্যান্ডবলের কারণে গোলটি বাতিল করেন। এতে বড় বিপদ থেকে বেঁচে যায় বাংলাদেশ।
২৬ মিনিটে কর্নার থেকে হেড করেন হ্যান ঝিং হং। সেই বল ঠেকিয়ে দেন মিলি। পরে মিও ইয়ো ঝং বল জালে পাঠালেও আবারও ভিএআরের সিদ্ধান্তে গোল বাতিল হয়।
৩১ মিনিটে আবারও বাংলাদেশের জালে বল জড়ালেও অফসাইডের কারণে সেটিও বাতিল হয়। কয়েক মিনিট পর কিম কিয়ং–ইংয়ের হেড পোস্টে লেগে ফিরে আসে, তখনও ভাগ্য সহায় ছিল বাংলাদেশের।
৪৩ মিনিটে বড় ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ফাউল করার কারণে নবীরন দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। ফলে ১০ জন নিয়ে খেলতে বাধ্য হয় বাংলাদেশ দল।
প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে একের পর এক পরিবর্তন আনেন কোচ পিটার বাটলার। স্বপ্না রাণী, আনিকা রানিয়া এবং উমেহলা মারমাকে মাঠে নামানো হয়।
যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে পেনাল্টি পায় উত্তর কোরিয়া। বক্সের ভেতর প্রতিপক্ষের জার্সি ধরে ফেলায় রেফারি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করেন মিয়ং ইউ–ঝং।
প্রথম গোলের মাত্র দুই মিনিটের মধ্যেই আবারও জালে বল পাঠান কিম কিয়ং–ইয়ং। ফলে অল্প সময়ের ব্যবধানে দুই গোল হজম করে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল।
প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই এই দুই গোলের কারণে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি চলে যায় উত্তর কোরিয়ার হাতে।
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানো এবং পরবর্তী ম্যাচগুলোতে ভালো পারফরম্যান্স করা।

0 Comments